Get on Google Play

চাকরি প্রর্থীদের সমস্যা, প্রশ্ন, মতামত এবং বিভিন্ন পেশা সর্ম্পকে আলোচনা, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ
#1352
সরকারি চাকুরির বেতন স্কেল, গ্রেডিং সিস্টেম, শ্রেণীকরণ, অন্যান্য ভাতা ও সুবিধাদি বাংলাদেশের শিক্ষিত প্রজন্মের যে বিষয়ে সবার আগ্রহ বেশি সেটি হচ্ছে সরকারি চাকুরীজীবী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।
কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকারি চাকুরী পাওয়া সোনার হরিন পাওয়ার মতো। ব্যাপক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটি চাকুরি পাওয়াই দুঃসাধ্য ব্যাপার। সরকারি যেকোন চাকুরি পাওয়ার আশায় মানুষ ব্যাপক প্রতিযোগীর সম্মুখীন হয়।


সরকারি জব এখন গ্রেডের উপর চলে আগে যেটা ৪ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল এখন ২০ গ্রেডে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।

যেমন আগে যেটা প্রথম শ্রেণী ছিল বর্তমানে সেটা ১ম থেকে ৯ম গ্রেড এবং দ্বিতীয় শ্রেণী হলো ১০ম গ্রেড শুধু ১০ম গ্রেডই দ্বিতীয় শ্রেণী। ১১-১৬ তম গ্রেড তৃতীয় শ্রেণীর এরপর ১৭-২০ তম গ্রেড হলো সর্বশেষ চতুর্থ শ্রেণী।

১থেকে ৯ নং গ্রেডে যিনি সে প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা বা গেজেটেড অফিসার বা ক্যাডার। এদের নিয়োগের সময় সরকারী গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি বের হয়, স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সামগ্রিক দিক বিবেচনায় মান মর্যাদা, দায়িত্ব-কর্তব্যের পরিধি এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসারগণ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন। তার উপরে আছে সচিব / মূখ্য সচিব।

পিএসসি কর্তৃক নিয়োগকৃত ২৭ ধরণের চাকুরিকে ক্যাডার এবং পিএসসি কর্তৃক নিয়োগকৃত অন্যান্য সরকারী চাকুরীকে নন ক্যাডার জব বলা হয়।

নন ক্যাডার জব গ্রেড ৯ হলে ১ম শ্রেণী এবং গ্রেড ১০ হলে ২য় শ্রেণী বলা হয় ক্যাডার আর নন ক্যাডার জব এর মধ্যে মূল পার্থক্য হল, ক্যাডারগণ প্রমোশন পেয়ে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে যেতে পারেন,যা নন ক্যাডার গণ যেতে পারেন না। প্রায় সব ক্যাডারই কমপক্ষে সর্বচ্চো গ্রেড পর্যন্ত যেতে পারেন, অন্যদিকে নন ক্যাডারে বেশির ভাগ পদই ব্লক পোস্ট।

বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই প্রকার জেনারেল ( পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র ইত্যাদি) এবং টেকনিকাল ( শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও জনপদ ইত্যাদি)।

জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরি করতে পারেন, কিন্তু টেকনিকাল ক্যাডারে চাকুরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে। যেমন , এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ সরকারী ডাক্তার হয়ে চাকুরি
করতে পারবেন না।

এদের চেনার উপায় হল, সরকারী যে কোন অফিসে ৪ ধরনের স্টাফ থাকে। যার মধ্যে রয়েছে ক্যাডার, তার নীচে কর্মকর্তা তার নীচে কর্মচারী। এদের মাঝে ১ম, ২য় এদের গেজেটেড কর্মকর্তা বলা হয়। ৩য় শ্রেনীর যারা তারাও হল কর্মকর্তা। ৪র্থ শ্রেনীর যারা তারা হল কর্মচারী।

প্রথম শ্রেণী মানেই নূন্যতম ৯ম গ্রেড আর দ্বিতীয় শ্রেণী কেবল ১০ম গ্রেড। আর সকল ডিপার্টমেন্টের সহকারী পরিচালক (Assistant Director) প্রথম শ্রেণীর বাংলাদেশ ব্যাংক এর এডি না সব এডিই প্রথম শ্রেণীর।

পুলিশের এস আই দ্বিতীয় শ্রেনীর এবং প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণীর। সরকারি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক
দ্বিতীয় শ্রেনীর।

প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক তৃতীয় শ্রেনীর এবং সকল ডিপার্টমেন্টের অফিস সহকারী, কম্পিটার অপারেটর/ ষাট মুদ্রাক্ষরিক তৃতীয় শ্রেনীর।

অফিস সহায়ক চতুর্থ শ্রেনীর যার স্কেল ৮,২৫০ যেমন প্রাইমারি স্কুলের পিওন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন গ্রেডে কত বেতন ও সরকারি ভাতা রয়েছে।

সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা আর সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা সুপারিশ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে।

২০টি গ্রেডে পেশ করা পে কমিশনের সুপারিশে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা সুপারিশ করা হলেও, এই স্কেলের বেতন ভাতাসহ অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

একইভাবে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা সুপারিশ করা হলেও সব মিলে দাঁড়াবে ২০ হাজার ১০ টাকা।

প্রথম স্কেলে বাড়ি ভাড়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বা ৪০ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা, ডোমেস্টিক এইড ভাতা ৩ হাজার টাকা, উৎসব ভাতা ১৩ হাজার ৩৩ টাকা, আপ্যায়ন ভাতা ৩ হাজার টাকা ও শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

একইভাবে সর্বনিম্ন স্কেলের বাড়ি ভাড়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা, চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা, যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকা, সন্তানের শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা, ধোলাই ভাতা ১৫০ টাকা ও টিফিন ভাতা ৩০০ টাকা।

সরকারি বেতন স্কেল

সরকারি চাকুরির বেতন স্কেল, গ্রেডিং সিস্টেম, শ্রেণীকরণ, অন্যান্য ভাতা ও সুবিধাদি


অন্যান্য ভাতা ও সুবিধাদি

বাড়ি ভাড়া: ৪৫ হাজার টাকা ও এর উর্ধ্বে ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়া মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২৮ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা।

চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২৩ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার টাকা।

জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২১ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৩৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১৯ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ২৮ হাজার টাকা।

মূল বেতনের ২৫ হাজার টাকা থেকে ৪৪ হাজার ৯৯৯ টাকা পর্যন্ত ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য ৬০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা।

চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১৬ হাজার টাকা।

জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১১ হাজার ৫০০ টাকা।

১৩ হাজার টাকা থেকে ২৪ হাজার ৯৯৯ পর্যন্ত ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য মূল বেতনের ৬৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা।

চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার মূল বেতনের ৫৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৮ হাজার টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৭ হাজার ২০০ টাকা।

১২ হাজার ৯৯৯ পর্যন্ত ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য মূল বেতনের ৭০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৬ হাজার ৫০০ টাকা।

চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার মূল বেতনের ৬৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৬ হাজার।

জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৫ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৫৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৫ হাজার।

চিকিৎসা ভাতা

মাসে কমপক্ষে ১ হাজার ৫০ টাকা। অবসরভোগীদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছরের কম বয়স্কদের জন্য মাসিক ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা। ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা। এর পাশাপাশি সরকার প্রদত্ত ৪০০ টাকা স্বাস্থ্য ও দূর্ঘটনা বীমা এবং জীবন বীমাসহ সরকারি চাকুরিজীবীর জন্য বীমা স্কিম চালু করা।


যাতায়াত ভাতা

দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কর্মরত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ১০ নাম্বার থেকে ১৬ নাম্বার গ্রেডে চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে যাতায়াত ভাতা মাসে ৩৬০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে।

গাড়ির সুবিধা

সার্বক্ষণিক গাড়ির সেবার জন্য প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তাদের জন্য নগদায়নের বিষয়টি চালু রাখা। একই সঙ্গে পরীক্ষামূলকভাবে ৩ নং গ্রেডের উপরের কর্মকর্তাদের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪র্থ গ্রেডের কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার বিষয়টি বিবেচনার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

শিক্ষা সহায়ক ভাতা

সকল শ্রেণীর চাকরিজীবীদের সন্তান প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা, ২ সন্তানের জন্য ২ হাজার টাকা শিক্ষা সহায়ক ভাতার সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর সন্তানদের ভর্তির জন্য সরকারি অর্থে পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দিষ্ট কোটা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে বুয়েট কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এ সুপারিশ প্রযোজ্য হবে না।

টিফিন ভাতা

মাসে টিফিন ভাতা ৩০০ টাকা। তবে যে সব চাকরিজীবী তাদের প্রতিষ্ঠান দুপুরের খাবার পান কিংবা দুপুরের খাবারের ভাতা পান তাদের জন্য এ টিফিন ভাতা প্রযোজ্য হবে না।

উৎসব ভাতা

সকল চাকরিজীবীদের জন্য প্রতি বছরে ২ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ উৎসব ভাতা দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন অবসরভোগীর জন্য তার মাসিক নিট পেনশনের দ্বিগুণ হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা

সকল শ্রেণীর চাকরিজীবীকে বর্তমান প্রচলিত প্রতি তিন বছরের স্থলে ২ বছর অন্তর ১৫ দিনের গড় বেতনে অর্জিত ছুটিসহ ১ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা হিসাবে সুপারিশ করা হয়েছে।

ধোলাই ভাতা

৪র্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের জন্য ধোলাই ভাতা মাসে ১৫০ টাকার সুপারিশ করা হয়েছে।

কার্যভার ভাতা

কার্যভার ভাতার শতকরা হার অপরিবর্তিত রেখে সর্বোচ্চ সীমা মাসে ২ হাজার ৫০ টাকা উন্নীত করা।

গৃহকর্মী ভাতা

গৃহকর্মী ভাতা অপরিবর্তীত আছে।

পোশাক পরিচ্ছদ সুবিধা

প্রচলিত নিয়মে পোশাক পরিচ্ছদ প্রদানের সুবিধা চালু রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

পাহাড়ি ও দুর্গম ভাতা

পার্বত্য এলাকায় কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাহাড়ি ভাতা পুনঃনির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাওড়-বাওড়, দুর্গম দ্বীপ অঞ্চলে উপকূলীয় ভাতা।

আপ্যায়ন ভাতা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মূখ্য সচিব ৩ হাজার টাকা, সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তা ২ হাজার ৫০০ টাকা, অতিরিক্ত সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তা ২ হাজার টাকা, যুগ্ম সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ১ হাজার ৫০০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে।

ভ্রমণ ভাতা

বদলিজনিত ভ্রমণ ভাতা এককালীন সড়ক পথে ১০০ কি.মি. পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা, ১০১ থেকে ২০০ কি.মি. পর্যন্ত ১৫ হাজার ৫০০ টাকা, ২০১ থেকে এর বেশি কি.মি. হলে ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতার সুপারিশ করা হয়েছে।

বিশেষ ভাতা

বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএফ ইত্যাদি বিভিন্ন সার্ভিসের জন্য বিশেষভাতা বেতন কাঠামোর পরিপ্রেক্ষিতে সমন্বয় করা যেতে পারে।

অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা

পেনশনযোগ্য চাকরিকাল প্রথম গ্রেড থেকে ১৬ গ্রেড পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পেনশনযোগ্য চাকুরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর পর্যন্ত পেনশনের হার গ্রেড অনুযায়ী ২০ শতাংশ থেকে গ্রেড অনুযায়ী ৯০ শতাংশ সুপারিশ করা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক সমর্পিত ৫০ শতাংশ পেনশনের ক্ষেত্রে আনুতোষিকের হার ৫ বছর থেকে শুরু করে ২০ বছর পর্যন্ত প্রতি ১ টাকায় ২৭৫ টাকা থেকে শুরু করে ২৩০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে।

চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের ক্ষেত্রে চাকরিকাল ২৫ বছর থেকে ২০ বছরে পুনঃনির্ধারনের সুপারিশ করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জীবন, স্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনা বীমা প্রবর্তন। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য পে-কমিশনে এ বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

আবাসন ও গৃহ নির্মাণ ঋণ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঋণের পরিমাণ গ্রেড অনুযায়ী ১২ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা গৃহ ঋণ দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে সুদের হার হবে ব্যাংক রেটে ৫ শতাংশ। এর পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে খাস জমি চিহ্নিত করে সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা।

৮ম থেকে ১ম গ্রেড স্কেলের কর্মকর্তাদের ২০ জনের জন্য ১০ কাঠা ও অন্যান্য চাকরিজীবী প্রতি ২০ জনের জন্য ৮ কাঠা প্লট দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

সমৃদ্ধ সোপান ব্যাংক স্থাপন

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সমৃদ্ধ সোপান ব্যাংক স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঢাকা মহানগরীতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য মৃত্যুর পর দাফনের জন্য বেশ কয়েকটি স্থানে কবরস্থান নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।

আর্থিক সংশ্লেষ

বেতন কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত বাড়ি ভাড়ার জন্য আগামী অর্থ বছরে অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হবে ৪৯ কোটি ৪০ লাখ ১১ হাজার টাকা।

চিকিৎসার জন্য ৯৯৮ কোটি টাকা, শিক্ষা সহায়ক ভাতার জন্য ১ হাজার ২৫০ কোটি ৪২ লাখ, যাতায়াত ভাতার জন্য ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ, উৎসব ভাতার জন্য ১৭ কোটি ১৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ৫৭১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, টিফিন ভাতা ১৫৪ কোটি টাকা, দুর্গম ভাতা ৮৩ কোটি ৭৯ কোটি টাকা, পেনশনাদির জন্য ৩৭ কোটি ৮৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা, অবসরভোগী চিকিৎসা ভাতার জন্য ৬৪৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

অর্থাৎ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ১৭ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

প্রতিবেদনে কর রাজস্ব বাড়ানোর বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- বিলাসবহুল পণ্য, বিভিন্ন ধরনের পানীয় দ্রব্যের উপর ক্রয়হার বাড়ানো। একই সঙ্গে বিড়ি, সিগারেট ও তামাকের উপর বর্ধিতহারে কর বাড়ানো।

এছাড়াও আয়করের আওতা সম্প্রসারণ করা ও কর ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া।

প্রতিবেদনে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী ও বিশেষায়িত চাকরিধারীদের জন্য বেতন কাঠামো সুপারিশ করা হয়েছে। লোকসানি প্রতিষ্ঠান লাভজনক না হলে সেগুলো বিরাষ্ট্রীয়করণের ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো ও ব্যাংক বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে গ্রেডের সংখ্যা জাতীয় বেতন পে-কমিশনের প্রস্তাবিত ১৬টির কম বা বেশি না হওয়াই ভাল বলে মনে করে কমিশন।

গবেষণা কাজে নিয়োজিত বিশেষায়িত চাকরিজীবীদের জন্য বেতন কাঠামো আলাদা রাখা।

মূল্যস্ফীতি ও ভোক্তা সম্পর্কে কমিশন দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায় রাখার জন্য প্রাইস কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছে।

পত্রিকা থেকে সংগৃহীত
    long long title how many chars? lets see 123 ok more? yes 60

    We have created lots of YouTube videos just so you can achieve [...]

    Another post test yes yes yes or no, maybe ni? :-/

    The best flat phpBB theme around. Period. Fine craftmanship and [...]

    Do you need a super MOD? Well here it is. chew on this

    All you need is right here. Content tag, SEO, listing, Pizza and spaghetti [...]

    Lasagna on me this time ok? I got plenty of cash

    this should be fantastic. but what about links,images, bbcodes etc etc? [...]